একটি ডোমেইন কেনা সাধারণত নতুন শুরুর মতো লাগে। আপনি বানান দেখেন, TLD দেখেন, দাম দেখেন। কিন্তু আমরা প্রায়ই একটি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস ভুলে যাই: ইতিহাস।
আমি এই শিক্ষা কঠিনভাবে পেয়েছি। ২০০০ সালে প্রথম রেজিস্টার করা একটি ডোমেইন কিনেছিলাম। প্রথমে দারুণ সুযোগ মনে হয়েছিল—যতক্ষণ না সার্ভারের লগ ভরতে শুরু করল।
প্রথম দিন: বটের হামলা
সাইট চালু করার প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই ট্রাফিক লগ হঠাৎ বেড়ে গেল। কিন্তু সেগুলো আসল ব্যবহারকারী ছিল না। আমার নতুন সাইটে অস্তিত্বই নেই এমন URL-এ প্রতিদিন ১,০০০-এর বেশি রিকোয়েস্ট আসতে শুরু করল।
পরে বুঝলাম, বহু বছর আগে থাকা পেজগুলো খুঁজে বের করতে বিশাল এক বট-সেনা ডোমেইনটা স্ক্যান করছে। তারা ডোমেইনের পুরোনো জীবন খুঁজছিল, আর তার ফলে প্রায় শূন্য এনগেজমেন্টসহ ডাইরেক্ট ট্রাফিকের এক অস্বাভাবিক স্পাইক তৈরি হচ্ছিল।
এতে SEO কেন ক্ষতিগ্রস্ত হয়
সমস্যা শুধু সার্ভারের ওপর চাপ ছিল না। আসল সমস্যা ছিল সার্চ ইঞ্জিন এই শব্দদূষণকে কীভাবে ব্যাখ্যা করছে।
কারণ বটগুলো মৃত URL-গুলো বারবার হিট করছিল, Yandex ধরে নিল এগুলো হয়তো এখনও প্রাসঙ্গিক। তাদের ক্রলার এই ভৌতিক পাথগুলো জোরে জোরে আবার ইনডেক্স করতে শুরু করল, আর শেষে গিয়ে আঘাত করল 404 (পাওয়া যায়নি) ত্রুটির দেয়ালে। এক রাতের মধ্যেই আমার Webmaster Tools ড্যাশবোর্ডে ৯০০-এর বেশি ত্রুটি জমে গেল।
সমাধান: 404 বনাম 410
অনেক ডেভেলপার অনুপস্থিত পেজের জন্য সাধারণ 404-ই ব্যবহার করেন। কিন্তু এখানে সেটা যথেষ্ট ছিল না। সার্চ ইঞ্জিনের দৃষ্টিতে 404-এর মানে অনেকটা এমন: “এখন পাচ্ছি না, পরে আবার দেখে নেব।”
সমস্যা থামাতে আমাকে Status 410 (Gone) ব্যবহার করতে হয়েছে।
410 রেসপন্স চূড়ান্ত। এটা ক্রলারকে স্পষ্ট করে বলে: “এই পেজটি চিরতরে চলে গেছে। ইনডেক্সে আর রেখো না।”
এই পুরোনো পাথগুলোর জন্য লক্ষ্যভিত্তিক 410 রেসপন্স চালু করাই ছিল বটের শব্দ থামানো এবং SEO পরিস্থিতি পরিষ্কার করার একমাত্র কার্যকর উপায়। আপনি যদি পুরোনো ডোমেইন কিনে থাকেন, শুধু নতুন সাইট চালু করলেই হবে না—পুরোনো সাইটের footprint-ও অডিট করুন, আর প্রথম দিন থেকেই 410 কৌশল প্রস্তুত রাখুন।